১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির সাধারণ ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিল্প-কারখানার মালিকরা চাইলে এই ছুটির বিপরীতে পরবর্তীতে যেকোনো একদিন শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়ে উৎপাদন ঘাটতি পুষিয়ে নিতে পারবেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এর আগে, নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল। এর সঙ্গে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ ছুটি মিলিয়ে শিল্প-কারখানায় টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়। তবে টানা তিন দিন উৎপাদন বন্ধ থাকলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করে পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ (BGMEA)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই ছুটি সমন্বয়ের আবেদন জানানো হলে উপদেষ্টা পরিষদ তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের গুরুত্ব বিবেচনা করে ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি বহাল থাকবে। তবে যেসব কারখানা এই ছুটি কার্যকর করবে, তারা চাইলে পরবর্তীতে যেকোনো সুবিধাজনক দিনে শ্রমিকদের দিয়ে অতিরিক্ত একদিন কাজ করিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে। মূলত নির্বাচনের সময় শ্রমিকদের কেন্দ্রে যাওয়া নিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে শিল্প খাতের উৎপাদন বজায় রাখার স্বার্থে এই ‘বিকল্প কর্মদিবস’ বা ছুটি সমন্বয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকলেও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের বাড়ি যাওয়ার যাতায়াত সুবিধার কথা চিন্তা করে ১০ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত এই বিশেষ ছুটি বরাদ্দ করা হয়।