০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:০৬

পে স্কেলের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

পে স্কেল  © সংগৃহীত

অবিলম্বে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘গত ৭ বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরেও সরকার কর্মচারীদের দাবি আমলে নিচ্ছে না। গত ৫ ডিসেম্বর তারিখে লক্ষাধিক কর্মচারীর উপস্থিতিতে মহাসমাবেশের পর আশা করা হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হবে, কিন্তু তা হয়নি। ২১ জানুয়ারি কমিশন রিপোর্ট প্রদানের পর অর্থ উপদেষ্টা গেজেট প্রকাশ না করে কমিটি গঠনের নামে কালক্ষেপণ করছেন। এছাড়া জ্বালানি উপদেষ্টা তার এক মন্তব্যে ‘বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন স্তিমিত রাখতে কমিশন গঠন করা হয়েছিল’ বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। সার্বিক বিষয়কে সামনে রেখেই কর্মসূচি সাজাচ্ছেন তারা।’

ঘোষিত কর্মসূচি হলো- দাবি আদায়ে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে সকল দপ্তরে দপ্তরে বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মচারী সমাবেশ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। সমাবেশে বলা হয়, চলমান গণকর্মবিরতি সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আজিমের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব বদরুল আলম সবুজের সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শ্রমিক কর্মচারী নেতৃবৃন্দসহ প্রায় সহস্রাধিক কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।

সংগঠনের নীতি নির্ধারণী কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নোমানুজ্জামান আজাদ বলেন, গণকর্মচারীগণ সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের প্রধান হাতিয়ার, তাদের ক্ষুধার্ত রেখে সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন কখনও সম্ভব নয়। তাই জনগণের জন্য জনসেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনে ২০ লাখ কর্মচারীদের প্রাণের দাবি জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করতে হবে, চলমান কর্মবিরতিসহ আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।