হাবিপ্রবিতে থাকছে না কোনো গণরুম: বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ
প্রত্যেক আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল কর্তৃক একটি কার্ড প্রদান করা হবে। কোভিড-১৯ টিকা কার্ড ও হল প্রদত্ত কার্ড ছাড়া কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে অবস্থান করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সুপার কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও ডরমিটরি-২ হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রাব্বানী।
হল সুপার বলেন, সবার কোভিড-১৯ টিকার নিবন্ধন হয়ে গেলে অতিদ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিল সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। অতিদ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহ খোলার বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। একাডেমিক কাউন্সিল সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কবে হল সমূহ খোলা হবে তা জাননো হবে শিক্ষার্থীদের।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি হলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তথ্য আহবান করা হয়েছিল, সেই তথ্য অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের হল প্রদত্ত একটি কার্ড দেওয়া হবে। তবে কোভিড-১৯ টিকার নিবন্ধন কার্ড ও হল প্রদত্ত কার্ড ছাড়া কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না। করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল সমূহে হলরুম বা গণরুম থাকবে না। এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো: নবিরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, করোনাকালে গণরুমে স্বাস্থ্যঝুকির একটা ভয় ছিলো সেটা থাকবে না। এছাড়াও র্যাগিং কালচার অনেকটাই কমে যাবে। দেখা যায় তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ষে এসেও কোন শিক্ষার্থী হলে সিট পায় না। এবার হল কার্ড চালু করলে বৈধ শিক্ষার্থীরা স্থায়ী একটা ঠিকানা পাবে। সেই সাথে প্রশাসনের নিকট আর্জি জানাই প্রতিটি হলে ডাইনিং চালু করে সল্পমূল্যে খাওয়া ব্যবস্থা করা, প্রতিটা হল ওয়াই-ফাই এর আওতায় নিয়ে আসা এবং রিডিং রুম নির্মাণ করার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. কামরুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকার নিবন্ধন নিশ্চিত হলেই বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।