১৬ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:২০

উৎসাহ-উদ্দীপনার হাবিপ্রবিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

  © টিডিসি ফটো

স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) মহান বিজয় দিবস-২০২০ পালিত হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় শহীদ মিনার বেদীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেমের পক্ষে ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক, হল সুপার, বিভিন্ন শাখার পরিচালকবৃন্দ।

উপাচার্যের পুষ্প স্তবক অর্পণের পর ক্রমান্বয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বিভিন্ন অনুষদীয় সমিতি, কর্মকর্তা, ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ, কর্মচারি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন। অসুস্থতাজনিত কারণে স্ব শরীরে উপস্থিত না হলেও অনুষ্ঠানের পুরো সময় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম।

পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে ভিসি প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। বাণীতে বলা হয়, আজ মহান বিজয় দিবস। বাঙালির অহংকার ও অনন্য গৌরবে ভাস্বর এ বিজয়। জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল দিন। দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের এই দিনে ত্রিশ লাখ শহীদের বুকের রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি ও অগণিত মানুষের সীমাহীন দুঃখ-দুর্ভোগের বিনিময়ে আমরা বিজয় অর্জন করি। পৃথিবীর মানচিত্রে সৃষ্টি হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। মহান বিজয় দিবসে আমি সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বিজয়ের এই দিনে গভীর শ্রদ্ধা ও সালাম জানাই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহানায়ক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল।

‘এ বছর আমরা এক ভিন্ন পরিস্থিতিতে মহান বিজয় দিবস পালন করছি এবং শহীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছি। বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব আজ করোনা ভাইরাস ‘কোভিড-১৯’ সংক্রমণজনিত মহামারীতে আক্রান্ত। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতি অত্যন্ত সফলভাবে এই মহামারী মোকাবিলা করে উন্নয়নের অগ্রগতি যেভাবে অব্যাহত রেখেছেন তা সারা বিশ্বের কাছে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ২০৪১ সালের আগেই উন্নত দেশের গর্বিত নাগরিক হবো। এই মহান দিনে তাঁর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’