০৬ মার্চ ২০২০, ২১:৪৩

বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ইউজিসি কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা

  © ফাইল ফটো

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কার্যালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকায় এসেছে বিভাগটির প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী। আজ রবিবার এ কর্মসূচি পালন করবে তারা। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানিয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় বাসযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীরা জানিয়েছিলো ৫ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন দেয়া না হলে ইউজিসির কার্যালয় ঘেরাও করবেন তারা।

ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আফতাবউজ্জামান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা গত ১৮ ফেব্রুয়ারী ইউজিসি কর্তৃক গঠিত কমিটির ওপর আস্থা রেখে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দিয়েছিলাম এবং ৫ মার্চের মধ্যে অনুমোদন প্রদানের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু ১৭ দিন পার হয়ে গেলেও ইউজিসির কর্তৃক গঠিত কমিটি কোনো কার্যক্রম শুরু করেনি।

তিনি বলেন, এমতাবস্থায় আমরা পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ইউজিসির কাযালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা রওয়ানা দিচ্ছি। এছাড়া আমাদের ২০ জন সহপাঠী প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবে।

এর আগে গত রবিবার অবস্থান কর্মসূচির ২৪ তম দিনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদেরকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আন্দোলনরত অন্যান্য শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তীব্র রোদ উপেক্ষা করে টানা ২৪ দিন আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ফলেই এসকল শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এদিকে একই দাবি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আমরণ অনশন শুরু করেছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচী শুরু করেন তারা।

উল্লেখ্য, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই বশেমুরবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারী বিভাগটিতে নতুন কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না করানোর নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। ইউজিসির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং বিভাগের অনুমোদনের দাবিতে ওইদিন রাত থেকেই প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করে বিভাগটির প্রায় আর শতাধিক শিক্ষার্থী।