২২ মার্চ ২০২৩, ০৭:৫২

‘সীমাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে শেখাতে পারি না’

নোবিপ্রবিতে ওয়ার্কশপ  © টিডিসি ফটো

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউটশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এবং গ্র্যাজুয়েট মাইক্রোবায়োলজিস্ট সোসাইটির যৌথ আয়োজনে সেংগার সিকোয়েন্স ব্যবহার করে ভাইরাসের জিনোম সার্ভিলেন্স বিষয়ক ওয়ার্কশপ সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামের আইকিউএসি কক্ষে এ ওয়ার্কশেপর আয়োজন করা হয়।

ওয়ার্কশপে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির  জাহিদ এবং যবিপ্রবির জিনোম  সেন্টারের মো. আলি আহসান সেতু।

এছাড়াও নোবিপ্রবির মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্ট এবং নোবিপ্রবি রিসার্চ সোসাইটির প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী যৌথভাবে এতে অংশগ্রহণ করে। 

ওয়ার্কশপে বক্তারা বায়োইনফরমেটিক্সের বিভিন্ন টুল, সেংগার সিকোয়েন্সিং, মলিকিউলার আইডেন্টিফিকেশন,  ১৬-এস আরএনএ, ১৮-এস আরএনএ, ডিএনএ এক্সট্রাকশন এবং পিসিআর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। 

নোবিপ্রবি আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, “আমাদের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার জন্য আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে বিভিন্ন বিষয় শেখাতে পারি না। বায়োলজিক্যাল সায়েন্স ডিপার্টমেন্টগুলোর জন্য সিকোয়েন্সিং জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

তিনি বলেন, এই সিকোয়েন্সিং এবং বায়োইনফরমেটিক্স টু ব্যবহার করে কোনো জীব সম্পর্কে জানা, তার রোগসৃষ্টিকারী বৈশিষ্ট্য, কীভাবে রোগ ছড়ায় তা ডিএনএ এবং আরএনএ অ্যানালাইসিস করে সহজে জানা যায়। যার জন্য আমাদের আজকের এই ওয়ার্ক শপের আয়োজন করা হয়েছে।