পে স্কেলের দাবিতে এবার প্রধানমন্ত্রী বরাবার স্মারকলিপির উদ্যোগ, সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার দাবি
সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতন করে ঈদের আগে পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি বলছে, সারা দেশের সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কার্যলয়ে এই স্মারকলিপি দেবেন দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের নেতারা।
প্রধানমন্ত্রী বরবার তৈরি করা ওই স্মারকলিপির তথ্যমতে, বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ১:৪ অনুপাতে ১২টি গ্রেডের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতন স্কেল নির্ধারণ পূর্বক পবিত্র ঈদুল ফিতরের পূর্বেই ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করার অনুরোধ জানানো হবে।
সংগঠনটির নেতারা বলেন, ‘২০১৫ সালে ৮ম পে-স্কেলে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিদের বৈষম্যের বেড়াজালে আবদ্ধ করার পর থেকেই প্রথম পর্যায়ে পে-স্কেলের বৈষম্য নিরসনের জন্য আবেদন নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেও তৎকালীন সরকারের নিকট থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বিগত কোনো সরকার সংগঠনের সাথে আলোচনাও করেনি। অথচ বিগত বিএনপির সরকার ১৯৯১ ও ২০০৫ সালে কর্মচারীদের দুঃখ দুর্দশার বিষয় বিবেচনা করে ২টি পে-স্কেল দিয়েছিল।
বিগত ১১ বছর কর্মচারীরা পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত। দ্রব্য-মূল্যের লাগামহীন উর্ধগতির দরুণ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে ব্যয়ভার নিয়ে দিশেহারা। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ‘যথা সময়ে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে কর্মচারীরা আশান্বিত হয়েছে।’
তারা বলেন, ‘সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০১৯ সাল থেকে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আবেদন-নিবেদনসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। এর ধারাবাহিকতায় অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছেও আবেদন-নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখি। সে প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে ৯ম পে-কমিশন গঠিত হয়েছে। যার রিপোর্ট ইতোমধ্যে সরকারের কাছে প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু অন্তবর্তীকালীন সরকার পে-স্কেল প্রদানের আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করেনি। বর্তমান সরকারের কাছে প্রত্যাশা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের পূর্বেই পে-স্কেলের গেজেট জারী করে কর্মচারিদের মুখে হাঁসি ফুটাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’