‘শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই, টিআইবির অভিযোগ ভিত্তিহীন’

করোনা
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি  © ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে করা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদন ভিত্তিহীন। বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়, এখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে টিআইবির প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এমন কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, এ প্রতিবেদন আরও খতিয়ে দেখতে হবে। এটা তাদের অনেক পুরোনো ডাটা। বর্তমানে টাকা দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ নেই। এ প্রতিবেদন ভিত্তিহীন ও অগ্রহণযোগ্য বলেও দাবি করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনিয়ম দেখার চোখ ঠিক থাকতে হবে। কবে, কোথায়, কীভাবে অনিয়ম হয়েছে তা ধরে থাকলে হবে না। বর্তমানের এনটিআরসিএ'র মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এখানে দুর্নীতি করার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর টিআইবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাধ্যমিক পর্যায়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে সাড়ে তিন লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক লেনদেন হয়।

এর বাইরে অন্যান্য নিয়োগ, বদলি, নতুন পাঠদান, শ্রেণি শাখা, বিভাগ ও বিষয় অনুমোদন এবং শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল অনুমোদনেও অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

টিআইবি বলছে, এসব অনিয়মে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সদস্য, প্রধান শিক্ষক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনটিআরসিএর কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি।

মাউশি ও এর অধিনস্ত কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, পরিচালনা কমিটি, অন্যান্য অংশীজন, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং গণমাধ্যম কর্মীসহ ৩২৫ জন ‘মুখ্য তথ্যদাতার’ সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে টিআইবি।


মন্তব্য

x