অন্তর্বর্তী সরকারে নিয়োগ পাওয়া ভিসিদের ভবিষ্যৎ কি? যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি (উপাচার্য) নিয়োগ থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও অধিদপ্তরের শীর্ষ পদে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের লোকজনদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাদের বিরুদ্ধে নতুন শিক্ষা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেবেন কিনা, সেই প্রশ্ন উঠেছে নতুন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে।
তবে এ নিয়ে সোজাসুজি কোনো উত্তর দেননি শিক্ষামন্ত্রী ড. আবু নছর মুহাম্মদ এহসানুল হক মিলন। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কর্মদিবসের প্রথম দিন সচিবালয়ে ড. আবু নছর মুহাম্মদ এহসানুল হক মিলনকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘উই ডোন্ট ওয়ান্ট টু ড্রাইভ আওয়ার কার লুকিং ইন দ্য রিয়ার ভিউ মিরর পুটিং আওয়ার গিয়ার ইন রিভাস। আমরা পেছনের দিকে থাকব না। আমরা সামনে দিকে থাকাব। তাই আমরা বিগত সময়ের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবো না, আমরা কথা বলবো ভবিষ্যৎ নিয়ে।’’ এ সময় নবনিযুক্ত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগেস্টর পর দেশের অর্ধশত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পর ভিসিদের অনেকেই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
এরই মধ্যে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান।
নির্বাচনের আগে কেন সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত, তখন উপাচার্য বলেছিলেন, নির্বাচনের আগে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করলাম। এখন নির্বাচনের পর যদি সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিতাম, তখন সবাই মনে করত তাদের সাথে (নির্বাচিত দলের) আমার শত্রুতা রয়েছে। এখন আমি আমার নিজ বিভাগে ফেরত যেতে চাই। এজন্য নির্বাচনের আগে বিষয়টি ক্লিয়ার করলাম।