নিয়োগের সাত বছর পর এমপিও পেলেন ২২৮ শিক্ষক
দীর্ঘ জটিলতার পর অবশেষে ২২৮ মাদ্রাসা শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসব শিক্ষকরা ২০১১ সালের ১৩ নভ্ম্বেরের আগে ও পরে নিয়োগপ্রাপ্ত দাখিল ও আলিম স্তরের শিক্ষা কার্যক্রমে জড়িত। অর্থ্যাৎ নিয়োগপ্রাপ্তির দীর্ঘ সাত বছর পর সরকার তাদের বেতন-ভাতার স্বীকৃতি পেল। বৃহস্পতিবার সহকারি সচিব সৈয়দ আসগার আলীর (মাদ্রাসা-২) স্বাক্ষর এক আদেশ থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রসঙ্গত, মাদ্রাসার দাখিল ও আলিম স্তরে ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ১৩ নভেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনের পরে অতিরিক্ত শ্রেণি শাখা ও বিষয়ের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত এমপিওবিহীন কর্মরত ১ হাজার ২২৮ সহকারী শিক্ষক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), সহকারী শিক্ষক (বিজ্ঞান) এবং প্রভাষককে (বিজ্ঞান) আলিম স্তরের এমপিওভুক্তির আদেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয় চলতি বছরের ২৪ মে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ে যায় ২০১১ সালের নভেম্বরের আগে নিয়োগ পাওয়া বেশ কিছু শিক্ষক। মূলত তাদের জন্যই আজ আজ এই আদেশ জারি করা হলো।
আদেশের তথ্যমতে, সদ্য এমপিওভুক্ত এসব ২২৮ শিক্ষকের মধ্যে দাখিল স্তরের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (কম্পিউটার) বিষয়ের ১৬৪ জন সহকারী শিক্ষক, বিজ্ঞান বিষয়ের ২১ জন সহকারী শিক্ষক এবং আলিম স্তরের বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয়ের ৪৩ জন প্রভাষক রয়েছেন। আদেশে চিঠিতে এমপিও নীতিমালা অনুসারে এসব শিক্ষকের এমপিওভুক্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে।
এছাড়াও এসব শিক্ষককে এমপিওভুক্তি করতে জুড়ে দেয়া কয়েকটি শর্তের মধ্যে রয়েছে- এমপিও নীতিমালা অনুসারে শিক্ষকের কাগজপত্র ঠিক থাকতে হবে এবং কোনো ধরণের বকেয়া বেতন-ভাতা পাবেন না। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এসব শিক্ষককে ২০১৫ খ্র্রিস্টাব্দের ৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী স্ব স্ব অঞ্চলের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে।