২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:১৭

প্রথম শ্রেণী থেকে প্রযুক্তি শিক্ষা দিতে হবে

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাথে অতিথিরা

আগামীর দিনগুলোর পড়াশুনা হবে প্রযুক্তি নির্ভর। ক্লাস ওয়ান হতে মান অনুযায়ী শিশুদের প্রোগ্রামিং শিখাতে হবে, রোবটিকস শিখাতে হবে। সেই অনুসারে স্কুল কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। চট্টগ্রামের রাউজানের শতবর্ষে প্রদার্পন করা শিক্ষা নিকেতন মহামুনি এংলো পালি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীর বিদায় সংবর্ধনা, নবীনবরণ, বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আাগমী ২০৪১ সালে প্রায় প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রি, বসতবাড়িতে রোবট থাকবে। ড্রাইভার ছাড়া গাড়ি, পাইলট ছাড়া উড়োজাহাজ চলবে। সেই সময়ের জন্য আমাদের সন্তানদের প্রস্তুত করতে হবে। বিজ্ঞান, বাণিজ্য, মানবিক যেই বিভাগের শিক্ষার্থী হউক না কেন সবাইকে প্রোগ্রামিং শিখতে হবে, প্রযুক্তিগত শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঞ্জন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সভার উদ্বোধক ছিলেন গ্রাম শুভার্থী সরজিত বড়ুয়া (রুরু)। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাসরিন আকতার। আলোচক ছিলেন মহামুনি মন্দির উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির প্রশাসক অনুপম বড়ুয়া।

শিক্ষক শেখর ঘোষ আপন ও প্রদীপ ভট্টাচার্যের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন, পাহাড়তলী নজরুল ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি হাজী আহমদ বশর, দক্ষিণ রাউজান শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি তপন কুমার দত্ত, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য, সোনালী ব্যাংক লি. এর প্রাক্তন উপ পরিচালক স্বপন কুমার বড়ুয়া, প্রাক্তন শিক্ষক মলয় মূৎসুদ্দী।

সভায় প্রতি ক্লাসে ৯ জন করে ৪৫ জন গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে নিরঞ্জন-লতিকা স্মৃতি বৃত্তি, গগন চন্দ্র বড়ুয়া স্মৃতি বৃত্তি ও জ্যোতির্ময় প্রীতিময়ী স্মৃতি বৃত্তি প্রদান করা হয়। ২১ জন শিক্ষার্থীকে শ্রেণীমান, ৬৬ জন শিক্ষার্থী ক্রীড়া পুরস্কার এবং ১৪৫ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে স্থানীয় সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর পক্ষ হতে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।