২৮ এপ্রিল ২০২৩, ১৬:৫৮

অফিসিয়াল পেজে রিপোর্ট, দাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না বিদ্যানন্দ

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন  © লোগো

সম্প্রতি বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে থেকে রাজধানীর ‘বঙ্গবাজারের পোড়া কাপড় থেকে অলংকার বানানোর’ কিছু ছবি পোস্ট করে বিতর্কের মুখে পড়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় স্বেচ্ছাসেবী এই সংস্থাকে। 

এদিকে, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দাতাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে একটি কুচক্রী মহল তাদের অফিসিয়াল পেজগুলো ডাউন করার ক্যাম্পেইনে নেমেছে বলে অভিযোগ তুলেছে। আজ শনিবার (২৯ এপ্রিল) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: বিদ্যানন্দের বিরুদ্ধে গুজব, সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ দাখিল

এতে বলা হয়, ইতিমধ্যে কুচক্রী মহলটি রিপোর্ট মেরে তারা বিদ্যানন্দের বিভিন্ন কন্টেন্ট গায়েব করে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। 

“গত এক সপ্তাহ আমাদের পেজ থেকে দাতাদের কোন প্রকার তথ্য সংক্রান্ত রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং কোন প্রকার কন্টেন্ট আপলোড দেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।” 

এজন্য অনুদান সংক্রান্ত কিংবা যে কোন তথ্যের জন্য বিদ্যানন্দের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার (01878-116234) অথবা support@bidyanndo.org-এ মেইল করার বিনীত অনুরোধ করেছে বিদ্যানন্দ।

এর আগে গত ২০ এপ্রিল আরেক পোস্টে বিদ্যানন্দ জানিয়েছিল, গত কয়েকদিন ধর কিছু হ্যাকার এবং ম্যালওয়ার এ্যাটাকের কারণে তাদের ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে গিয়েছিল। ৫০০ হিটের বিপরীতে গত কয়েকদিনে সাইটটি প্রতিদিন গড়ে দেড় কোটি পর্যন্ত হিটের সম্মুখীন হয়েছে। আমাদের আইটি টিম দ্রুত সাইটটি রিকোভার করেছে। পাশাপাশি আমাদের সোস্যাল নেটওয়ার্ক একাউন্টগুলোতে রিপোর্ট করে পোস্ট ডাউন এবং এ্যাডমিন একাউন্ট ব্লক করা হয়েছে। এজন্য স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পেজ ডাউন হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

তারা আরও জানিয়েছিল, মিথ্যা অপপ্রচার এবং গুজব ছড়ানোয় আমাদের পক্ষ থেকে সাইবার ক্রাইম ইউনিটে লিখিত অভিযোগ দাখিল ও সাহায্য চাওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিদ্যানন্দের শাখা নিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবীদের হয়রানি বন্ধে স্থানীয় থানার মাধ্যমে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। স্ব-প্রনোদিত আক্রমনের পরিবর্তে বিদ্যানন্দ প্রতিরক্ষা মূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। গত দশ বছরের দাতাদের দান এবং স্বেচ্ছাসেবীদের ত্যাগ কিছু গুজবে ধ্বংস হয়ে যাবে সেটা আমরা মেনে নিতে পারছি না।