ঢাবিতে ‘অবাঞ্ছিত’ ছাত্রদল আজও মধুর ক্যান্টিনে

আজ রোববার সকালে মধুর ক্যান্টিনে আসেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা
আজ রোববার সকালে মধুর ক্যান্টিনে আসেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা  © টিডিসি ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকে একদিন আগেই অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। ওই ঘোষণার পরই ছাত্রলীগকে সঙ্গে নিয়ে তাদেরকে মারধরও করেন মঞ্চের নেতাকর্মীরা। তার একদিন পর আজ ফের মধুর ক্যান্টিনে গেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টার পর মধুর ক্যান্টিনে যান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাদের জন্য নির্ধারিত চেয়ার ও টেবিলে বসেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত আছেন।

তবে কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল এখনো মধুর ক্যান্টিনে যাননি। তবে সভাপতি প্রার্থী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমানসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতা উপস্থিত আছেন বলে জানা গেছে।

মধুর ক্যান্টিনে উপস্থিত ছাত্রদল নেতা নিজাম উদ্দিন রিপন দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘সকাল থেকেই তারা মধুর ক্যান্টিনে আছেন। কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এখনো আসেননি, কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসবেন।’

রোববার দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এতে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।

পড়ুন: ঢাবিতে ছাত্রদলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফেসবুকে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদ ইকবাল হোসেন শ্যামলের একটি ‘ফসবুক বায়ো’র স্ট্যাটাস নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করছিল মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ। এসময় সেখানে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী গেলে তাদের ওপর ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ছাত্রদলকে। এসময় ছাত্রদল মধুর ক্যান্টিনের মেঝেতে অবস্থান করছিলো। সংবাদ সম্মেলন শেষ হতেই মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতা আমিনুল হক বুলবুল ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের দিকে মারতে তেড়ে যায়। একপর্যায়ে তাদেরকে মারধর শুরু করলে মঞ্চের অন্য নেতারাও এতে যোগ হয়। 

এতে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা গুরুতর আহত হয়। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগ দেন বলে ছাত্রদলের নেতারা অভিযোগ করেন।

আহতদের মধ্যে, মামুন খান (এসএম হল ২০০৩-০৪), শাহজাহান শাওন(জিয়া হল ২০০৮-০৯), তারেক হাসান মামুন (জিয়া হল ২০১০-১১) এবং নাইম হাসানের নাম জানা গেছে। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।


সর্বশেষ সংবাদ