২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৫৭

দর্শনার্থীর ফোন ছিনতাই করলো ছাত্রলীগ কর্মী নাহিদ

  © টিডিসি ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীর মোবাইল ছিনতাই করেছেন ছাত্রলীগ কর্মী নাহিদ হাসান। পরে তার আত্মীয়ের মাধ্যমে সে মেবাইল উদ্ধার করা হয়। তবে মোবাইলের সিম দুটি ভেঙে ফেলেন ওই ছিনতাইকারী নাহিদ।

নাহিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের অনুসারী। তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক ছিনতাইয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ও মুহসীন হল সূত্র জানায়, শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে নাহিদ একটি বাইকে করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান। সেখানে আবদুল্লাহ নামে এক দর্শনার্থীকে জোরপূর্বক বাইকে তুলে ফুলার রোডে নিয়ে যায়। তাকে বেদম প্রহার করে তার স্যামসাং কোম্পানির একটি স্মার্টফোন ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার পরে ভুক্তভোগী আবদুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে (এসএম হল) তার এক আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সেই আত্মীয় মুহসীন হলের এক ছাত্রলীগ নেতার মাধ্যমে মোবাইল ফোনটি ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করে। মুহসীন হলের সেই ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হাসানের কাছ থেকে ফোনটি উদ্ধার করে ভুক্তভোগীকে ফিরিয়ে দেন। তবে সিম দুটি ভেঙে ফেলেন ছিনতাইকারীরা।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে মুহসীন হলের সেই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ‘হাসান দর্শনার্থীকে মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নিয়ে চলে আসে। পরে ফোনটি উদ্ধার করে যার ফোন তাকে দিয়ে দেয়া হয়েছে।’

সূত্র জানায়, নাহিদ হাসান একজন পেশাদার ছিনতাইকারী হিসেবে গড়ে উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সে একাধিক ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। কয়েক মাস আগে ভিসি চত্বরে এক নারীর ব্যাগ ছিনতাইয়ে জড়িত ছিল সে। তাছাড়া, মুহসীন হল মাঠে একাধিক ছিনতাই করেছে এই নাহিদ হাসান। ছিনতাইয়ের বিষয়ে জানতে নাহিদ হাসান কে ফোন দিলে তিনি ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।