পদ্মা সেতুর মাঝে ছবি তোলা তিনজনকে বাঁচাতে প্রাণ যায় দুজনের

ছবি তোলার সময় দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা
পদ্মা সেতুর মাঝে ছবি তোলার সময় দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা  © ভিডিও থেকে সংগৃহীত

পদ্মা সেতু যান চলাচল শুরুর পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় দুই তরুণ। প্রাথমিক কারণ হিসেবে বেপরোয়া গতিতে বাইক চালানোর কথা বলছিলেন সবাই। ভিডিওতে দেখা যায়, বাইকের গতি ছিল ১০৫ কিলোমিটার। ওই দুর্ঘটনার নতুন আরেকটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। তাতে দেখা যায়, শুধু দ্রুতগতির জন্য নয়, ব্যক্তিগত গাড়ি থামিয়ে সেতুর মাঝে কয়েকজন ছবি তোলার কারণেই অকালে দুটি প্রাণ ঝরেছে।

দ্বিতীয় ভিডিওটি গতকাল বুধবার (৩০ জুন) ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরদিনই বাইকে সেতু পার হতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হয় দুই তরুণ। ছিটকে পড়ে মারাত্মক আহত হন আলমগীর ও ফজলু। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

শুরু থেকেই অভিযোগ ছিল, দ্রুতগতির বাইক নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হন চালক। তবে ৬ দিনের মাথায় ফেসবুকে মিলেছে দুর্ঘটনার নতুন ভিডিও। ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, সেতুর ওপর ছুটে চলছে দুটি বাইক। এরমধ্যে ডানে চলন্ত একটি কাভার্ডভ্যান ও বায়ে পার্ক করা ছিল ব্যক্তিগত গাড়ি। প্রথম বাইকটি সামনে এগিয়ে যেতেই সংঘর্ষ হয়।

আরো পড়ুন: ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা

গাড়ি থেকে নেমে সেতুর মাঝ বরাবর দাঁড়িয়ে থাকা তিন ব্যক্তিকে ধাক্কা দেয় বাইকটি। প্রথম বাইকটির আরোহীরা বেঁচে গেলেও ওই তিন ব্যক্তিকে বাঁচাতে গিয়ে উল্টে যায় দ্বিতীয় বাইকটি। এতেই প্রাণ হারায় আলমগীর ও ফজলু।

অনেকে বলছেন, দ্রুত গতির সঙ্গে ব্যক্তিগত গাড়ি থামিয়ে সেতুর মাঝে ছবি তোলার কারণে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত আলমগীর ও ফজলু নবাবগঞ্জের বাসিন্দা। আলমগীর মোটরসাইকেল মেকানিক ও ফজলু প্রবাসী। তিনটি মোটরসাইকেলে তারা ৬ বন্ধু ঘুরতে গিয়েছিলেন।

নতুন ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন।


x