২৬ মে ২০২২, ২০:০৩

টাকা-ল্যাপটপ রেখে বাসা থেকে কুবি শিক্ষকের মোবাইল চুরি

টাকা-ল্যাপটপ রেখে বাসা থেকে কুবি শিক্ষকের মোবাইল চুরি  © টিডিসি ফটো

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষক ডরমেটরিতে ফের চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ মে) ডরমেটরি-১ এর ২য় তলায় রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানার কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষক শারমিন সুলতানা বলেন, রাত আড়াইটার দিকে ওয়াশরুমে গেলে ফিরে এসে দেখি আমার  মোবাইল ফোন নেই। কিন্তু সাথে ল্যাপটপ এবং ড্রয়ারে নগদ ২০ হাজার টাকার মত থাকলেও চোর সেটা নেয়নি। বিষয়টি আমাকে আশ্চর্য করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে ওই কক্ষের দক্ষিণ দিকের বেলকনির গ্রিল ভাঙা দেখা গেছে। ওই স্থানে কোন সিসিটিভি না থাকায় কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত সেটি জানা সম্ভব হয়নি।

এসময় ডরমেটরির দায়িত্বরত আনসার সদস্য আবুল কাশেম হাওলাদার বলেন, ডরমেটরির পেছনের অংশে কোন আলো কিংবা যাতায়াতের সুবিধা নেই। তাই সেদিকে নজর রাখতে পারি না।

আরও পড়ুন: কুবি শিক্ষকদের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি

কুবি শিক্ষক শারমিন সুলতানার কক্ষের চুরির ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডরমিটরিতে অবস্থানরত আবাসিক শিক্ষকরা। লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রভাষক ফয়জুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, ডরমিটরিতে অবস্থানরত আবাসিক শিক্ষকদের নিরাপত্তা সমস্যাসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। প্রশাসনের উচিত সমস্যা সমাধানে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া।

নিরাপত্তা শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাদেক হোসেন মজুমদার বলেন, ডরমিটরিতে চুরি হয়েছে শুনে আমরা সেখানে দেখতে গিয়েছি। গ্রিল কাটছে এমন কোন আলামত দেখতে পাইনি। তবে পূর্বে থেকে গ্রিলটি ভাঙা ছিল। সেদিক দিয়ে চোর ঢুকতে পারে। আমাদের লোকবলের কোন গাফিলতি নেই। পেছনের অংশে দু’টি সিসিটিভি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, আমরা নিরাপত্তায় থাকা আনসার সদস্য এবং শিক্ষকের সাথে কথা বলেছি। ঘটনার তদন্ত হওয়া পর্যন্ত কে বা কারা চুরির ঘটনায জড়িত সে বিষয়ে বলতে পারছি না। 

এর আগে ২০১৭ সালের ৪ মার্চ ডরমেটরি-১ এ চুরির ঘটনা ঘটেছিল। তখন মো. খলিলুর রহমানের কক্ষ থেকে এক লাখ টাকা ও ১টি ল্যাপটপ এবং মো. আতিকুর রহমানের কক্ষ থেকে চল্লিশ হাজার টাকা ও একটি ল্যাপটপসহ বেশকিছু মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়ে যায়।