নুসরাতের আত্মহত্যা: ভুয়া বিসিএস ক্যাডার কারাগারে

আত্মহত্যা
নুসরাত-মিল্লাত দম্পত্তি  © ফাইল ফটো

সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টারে নুসরাত জাহানের আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় স্বামী মিল্লাত মামুনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ঢাকার মুখ্যমহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম বাকী বিল্লাহ আজ শুক্রবার (১৮ জুন) শুনানি শেষে আদেশ দেন।

একদিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামিল হোসাইন (নিরস্ত্র) আসামি মিল্লাত মামুনকে আদালতে হাজির করেন। কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

মিল্লাত মামুনের পক্ষে পীযূষ কান্তি রায় জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধীতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জামিন নাকচ করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকা থেকে র‌্যাব-২ এর একটি দল মিল্লাতকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন আদালত তাকে একদিনের রিমান্ডে পাঠায়।

নুসরাতের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা রত্ম কান্তি রোয়াজা ১২ জুন শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ বলা হয়, মামুন মিল্লাত নিজেকে ৩৮তম বিসিএস ক্যাডার (পুলিশ) পরিচয় দিয়ে নুসরাত জাহানকে প্রলোভন দেখিয়ে ২০১৯ সালে ফুঁসলিয়ে বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করেন।

বিয়ের কিছুদিন পর থেকে মিল্লাতকে শারীরিক আঘাত ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে শুরু করেন, যা নুসরাত তার বাবাকে জানান।

মিল্লাত জুয়া খেলাসহ, নেশা এবং বিভিন্ন পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, গত ১২ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নুসরাত তার বাবাকে ফোন দিয়ে জানায়, মিল্লাত তাকে শারীরিক নির্যাতনসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। তাকে বাসা ছেড়ে চলে যেতে বলেছেন, না গেলে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন।

ওইদিন বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁয়ের সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টার থেকে পুলিশ রত্ম কান্তি রোয়াজাকে নুসরাতের মৃতদেহ উদ্ধারের কথা জানায়।


মন্তব্য