০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৮

নারায়ণগঞ্জে মৎস্যজীবী দলের তিনজনকে কুপিয়ে জখম

প্রতীকী ছবি  © সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্থানীয় একটি কারখানার উচ্ছিষ্ট মালামালের দখল নিয়ে দ্বন্দ্বে বিএনপির সহযোগী সংগঠন মৎসজীবী দলের জেলা ও ফতুল্লা থানা কমিটির মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ফতুল্লা থানা কমিটির তিন জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে জেলা কমিটির সভাপতির অনুসারিরা। ওই ঘটনায় আহত তিনজনের কারও হাতের কবজি, কারও হাতের আঙুল বা তালু এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

বুধবার রাতে ফতুল্লা থানার বক্তাবলী ইউনিয়নের পূর্ব গোপালনগর এলাকায় তারা স্পিনিং মিলের সামনে জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এইচ এম হোসেন ও ফতুল্লা থানা মৎসজীবী দলের সাবেক আহ্বায়ক সলিমুল্লাহ হৃদয় গ্রুপের মধ্যে ওই ঘটনা ঘটে ।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শামীম মেম্বারের টেক্সটাইল কারখানায় কুন ও কার্টনের দখল নিয়ে কয়েক দিন ধরেই উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে শামীম মেম্বারের টেক্সটাইল কারখানার কুন-কার্টনের দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পালটা ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে সলিমুল্লাহ হৃদয় গ্রুপের সজিব, মারুফ ও রাকিবকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে হোসেন গ্রুপ। এরপর স্থানীয় লোকজন তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা থানা মৎসজীবী দলের সাবেক আহ্বায়ক সলিমুল্লাহ হৃদয় বলেন, তারা দলের প্রভাব বিস্তার করে বাইরে থেকে এসে এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। 

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনা শুনে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।