০৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:০৭

সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

আটক অভিযুক্ত ওই নারী  © সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১০ দিন বয়সী কন্যা শিশু সন্তানকে বাওড়ের পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। পরে ওই নারী নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮ টায় উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ঈদগাঁও খেয়াঘাট বাওড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ওই নারী টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের তাপস মন্ডলের স্ত্রী। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর মৃত কন্যা শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ আড়াইশো শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ওসি জাহিদুল জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ১০ দিন বয়সী কন্যা সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি গোপালপুরের পশ্চিমপাড়া থেকে বের হন ওই নারী । পরে ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে বর্নি মধ্যপাড়া ঈদগাঁও খেয়াঘাট এলাকার ফাঁকা জায়গায় দাড়িয়ে বর্ণি বাওড়ে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করতে পানিতে ঝাঁপ দেন। তখন মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াকে পানির মধ্যে ঝাঁপাঝাঁপি করতে দেখে নৌকা নিয়ে উদ্ধার করে। পরে শিশু সন্তানকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানান উদ্ধারকারীদের।

ওসি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর আরও জানান, পরে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে বাঁওড় থেকে মৃত শিশুকে উদ্ধার করে। পরে ওই নারীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে। এঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে ওই নারী কি কারণে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তা এখনো জানা যায়নি।  জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত জানা যাবে।