২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:০৫

এবার স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণে পুলিশ!

গ্রাফিক্স ছবি

ছুটিতে বাড়িতে আসা এক পুলিশ কনস্টেবল ও তার সহযোগী দুই বখাটের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গণধর্ষণের পর তারা ওই ছাত্রীকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর মেয়েটিকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন।  ঘটনার পর ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

গণধর্ষণের অভিযোক্তরা হলেন, একই এলাকার লতিফ মিয়ার ছেলে ও পুলিশ লাইনে কর্মরত কনস্টেবল মৃদুল মিয়া (২৩), সোলেয়মানের ছেলে নিজাম মিয়া (২৪) , গোলবক্স মিয়ার ছেলে সিয়াম হোসেন (২২)।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বরে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের এক গ্রামে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নারায়ণগঞ্জে এই ঘটনা ঘটলো।

রূপগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া ওই ছাত্রীর পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, শুক্রবার বিকালে তারাবো হাটিপাড়া এলাকার নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী মায়ের সঙ্গে বেড়াতে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায় তার নানা ওহাব মিয়ার বাড়িতে আসে। রাতে বাড়ির সবাই পার্শ্ববর্তী ছাতিয়ান বেপারীপাড়া মসজিদের বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ শুনতে যায়। এ সুযোগে অভিযোক্ত তিনজন ওই শিক্ষার্থীকে ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ সময় তাকে বখাটেরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

ওয়াজ শেষ করে ঘরে ফিরে মেয়েকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তারা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই এলাকাবাসী অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করতে ধাওয়া করে। এলাকাবাসীর উপস্থিতি টের পেয়ে বখাটেরা পালিয়ে যায়।

রূপগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটা ন্যাক্কারজনক ঘটনা। বখাটেদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।