২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:২৪

অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ে ‘চ্যাম্পিয়ন’ হয় পাকিস্তান!

পাকিস্তান দল   © সংগৃহীত

‘অস্ট্রেলিয়া আগে বিদায় নিলে নাকি শিরোপা জেতে পাকিস্তান’, পাকিস্তান সমর্থকদের মধ্যে আইসিসি টুর্নামেন্ট ঘিরে একটি পুরোনো বিশ্বাস আছে। অবশ্য, নিছক কাকতালীয় হলেও অতীতের তিনটি বড় সাফল্য এই ধারণাকেই উসকে দেয়। ফলে, চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অস্ট্রেলিয়ার বিদায় পাকিস্তানকে নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে।

পাকিস্তানের প্রথম বিশ্বজয় ১৯৯২ ক্রিকেট বিশ্বকাপে। ইমরান খানের নেতৃত্বে সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি। আর কাকতালীয়ভাবে গ্রুপপর্ব থেকেই ছিটকে যায় অস্ট্রেলিয়া।

দ্বিতীয় শিরোপা ২০০৯ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সেই আসরেও গ্রুপপর্ব পেরোতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে দ্য গ্রিন ম্যানরা।

২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তৃতীয়বার বৈশ্বিক শিরোপা উঁচিয়ে ধরে পাকিস্তান। সেবারও প্রথম পর্বেই বিদায় নেয় অস্ট্রেলিয়া। আর ফাইনালে ভারতকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দ্য গ্রিন ম্যানরা। এই তিনটি ঘটনার মিল থেকেই জন্ম নেয় ‘অস্ট্রেলিয়া বিদায়, পাকিস্তান জয়’ তত্ত্ব।

চলমান আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও গ্রুপপর্বে বাদ পড়েছে অজিরা। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে বিদায় নেয় ট্রাভিস হেড ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলদের দল। ফলে পুরোনো সেই সমীকরণ ফের আলোচনায়।

অন্যদিকে চার ম্যাচে তিন জয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নেয় পাকিস্তান। ব্যাটিং-বোলিংয়ে ভারসাম্য, বিশেষ করে বোলিং আক্রমণের ধারাবাহিকতায় আত্মবিশ্বাসী দলটি।

সুপার এইটে বাবর-শাহিনদের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার শক্ত প্রতিপক্ষই রয়েছে। তাই ইতিহাসের কাকতালীয় মিল যতই আশাবাদ জাগাক, শেষ পর্যন্ত মাঠের পারফরম্যান্সই ঠিক করে দেবে পাকিস্তানের ভাগ্য।

যদিও প্রাকৃতিক নিয়ামক বৃষ্টি এরই মধ্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের জন্য বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বৃষ্টির বাধায় মাঝে টস হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাঠে গড়ায়নি একটি বলও। এমনকি শেষমেশ এই ম্যাচের ফলাফল আসবে কিনা, তা নিয়েও শঙ্কা জেগেছে। বৃষ্টি বাধায় ম্যাচ কোনো কারণে না মাঠে গড়ালে শেষ পর্যন্ত দ্য গ্রিন ম্যানদের জন্য সেমিফাইনাল সমীকরণ মেলানোর বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।