১৪ বছর পর ‘লজ্জার রেকর্ডের’ সঙ্গী পেল বাংলাদেশ
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরে না খেললেও আলোচনায় বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারায় অস্ট্রেলিয়া। এই পরাজয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা পরাজয়ের বিব্রতকর রেকর্ডে বাংলাদেশের পাশে নাম লিখিয়েছে ওমান।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের টানা হার দাঁড়িয়েছে ১০ ম্যাচে। এতদিন এই রেকর্ড এককভাবে বাংলাদেশের দখলে ছিল। যদিও ওমানের এই দীর্ঘ হারযাত্রার শুরুটাও বাংলাদেশের বিপক্ষেই হয়েছিল। ২০২১ আসরে টাইগারদের কাছে হারের পর থেকেই বিশ্বকাপে আর জয়ের মুখ দেখেনি দলটি।
সর্বশেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপে কার্যত ভেঙে পড়ে ওমানের ব্যাটিং লাইনআপ। ৪ উইকেট তুলে নেন অ্যাডাম জাম্পা। জবাবে রান তাড়ায় ঝোড়ো ফিফটি হাঁকান মিচেল মার্শ। তার ইনিংসে ভর করে ৬২ বল হাতে রেখেই ৯ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় অজিরা।
২০২১ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হারার পর স্কটল্যান্ডের কাছেও হেরে আসর শেষ করেছিল ওমান। পরবর্তী আসরে বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিতে পারেনি তারা। ২০২৪ আসরে বিশ্বকাপে ফিরলেও ভাগ্য বদলায়নি। এবারের আসরে ‘বি’ গ্রুপে জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কোনো ম্যাচেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারেনি তারা। ফলে ২০২১ আসরে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয়টিই রয়ে গেছে তাদের সর্বশেষ বিশ্বকাপ সাফল্য।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের টানা হারের অধ্যায় ২০০৭ বিশ্বকাপে শুরু হয়েছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পর গ্রুপের শেষ ম্যাচ ও সুপার এইটের তিন ম্যাচসহ টানা ৪ ম্যাচ হারে টাইগাররা। এরপর ২০০৯, ২০১০ ও ২০১২; এই তিন আসরে মোট ৬ ম্যাচ খেলে সবকটিতেই পরাজয় বরণ করে বাংলাদেশ।
অবশেষে ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে সেই দুঃসময় কাটে। মিরপুরে প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফেরে সাকিব-মুশফিকরা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা হারের তালিকায় ১০ ম্যাচ করে সবার ওপরে ওমান ও বাংলাদেশ। এরপর নামিবিয়া, আয়ারল্যান্ড ও পাপুয়া নিউগিনি প্রতিটি দলেরই টানা ৭ ম্যাচ হারার রেকর্ড রয়েছে।