বিশ্বকাপের ধারাভাষ্য প্যানেলে বাংলাদেশের এক প্রতিনিধি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে এক ঝাঁক ধারাভাষ্যকার প্যানেল ঘোষণা করেছে আইসিসি। ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টে মাইক্রোফোন হাতে দেখা যাবে ক্রিকেট ইতিহাসের বহু তারকা ও অভিজ্ঞ বিশ্লেষককে। বাংলাদেশের সমর্থকদের জন্য বাড়তি আনন্দের বিষয় হলো জাতীয় দল বিশ্বকাপে না থাকলেও ধারাভাষ্য কক্ষে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন সাবেক ক্রিকেটার আতহার আলী খান।
মোট ৪০ জনকে নিয়ে গঠিত এই ধারাভাষ্য প্যানেলের নেতৃত্বে থাকছেন রবি শাস্ত্রী, নাসের হুসেইন, ইয়ান স্মিথ ও ইয়ান বিশপ। তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ও ২০২১ বিশ্বকাপজয়ী অ্যারন ফিঞ্চ।
সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের তালিকায় আরও রয়েছেন কুমার সাঙ্গাকারা, দিনেশ কার্তিক, স্যামুয়েল বদ্রি, রবিন উথাপ্পা এবং ক্যারিবিয়ান নায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েট।
এ ছাড়া ধারাভাষ্য কক্ষকে আরও সমৃদ্ধ করবেন ইয়ন মরগান, ওয়াসিম আকরাম, সুনীল গাভাস্কার, ম্যাথু হেইডেন ও রমিজ রাজা। সঙ্গে থাকছেন ডেল স্টেইন, মাইকেল আথারটন, ওয়াকার ইউনিস ও সাইমন ডুলের মতো প্রভাবশালী কণ্ঠ।
ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য এ বিশ্বকাপের ধারাভাষ্য ও সম্প্রচার দলেও থাকছে অভিজ্ঞতার ছাপ। আতহার আলী খানের সঙ্গে এই লাইনআপে যুক্ত হয়েছেন হার্শা ভোগলে, এমপুমেলেলো এমবাংওয়া, ড্যানি মরসন ও অ্যালান উইলকিন্সের মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্রডকাস্টাররা। তাদের কণ্ঠে ম্যাচের উত্তেজনা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করছে আইসিসি।
এবারের বিশ্বকাপে সম্প্রচারে থাকছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। আইসিসির ঘোষণায় জানানো হয়েছে, ‘পিচভিউ’ ও ‘স্কিলভিউ’ নামের নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে দর্শকরা খেলা দেখবেন আরও ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে। পিচভিউতে পিচের আচরণ ও পরিবর্তন বিশ্লেষণ করা যাবে, আর স্কিলভিউ ব্যবহার করে তুলে ধরা হবে খেলোয়াড়দের কৌশলগত দক্ষতা ও পারফরম্যান্সের সূক্ষ্ম দিকগুলো।
ভারত ও শ্রীলঙ্কার ৮টি ভেন্যুতে প্রতিটি ম্যাচ ধারণ করা হবে প্রায় ৪৫টি ক্যামেরার মাধ্যমে। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে এই বিশাল সম্প্রচার ব্যবস্থাপনায় যুক্ত থাকবেন ২০টিরও বেশি দেশের প্রায় ৭২০ জন পেশাদার কর্মী। ম্যাচের আগে ও পরে থাকবে বিশেষ বিশ্লেষণমূলক অনুষ্ঠান, পাশাপাশি প্রতিদিন প্রচার করা হবে হাইলাইটস, যাতে বিশ্বকাপের প্রতিটি মুহূর্তই দর্শকদের কাছে পৌঁছে যায়।