০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৪০

ভারত ম্যাচ বয়কট পাকিস্তানের, জরুরি সভা ডাকল আইসিসি

আইসিসি  © সংগৃহীত

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দেওয়ার পর জরুরি বোর্ড সভা আহ্বান করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। গত রবিবার পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসার পর আজ (২ ফেব্রুয়ারি) একটি জরুরি ভার্চুয়াল বোর্ড বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

পাকিস্তানের এই অবস্থানের প্রেক্ষিতে বিশ্বকাপ সূচি, গ্রুপ বিন্যাস ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা নিয়ে সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় আনতেই আইসিসি জরুরি সভা ডাকতে বাধ্য হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার তাদের একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আইসিসির বৈঠকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা ছিল পাকিস্তানের। তবে এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকের পরই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান।

যেখানে সরকারের বিবৃতিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, জাতীয় দল পুরো টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে, তবে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারবে না।

এদিকে আইসিসি ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করেছে যে তারা পিসিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের জন্য অপেক্ষা করছে। পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্টিও প্রকাশ করেছে আইসিসি। আইসিসি মনে করছে, বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে সব দল সমান সুযোগ ও নিয়ম মেনে খেলবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্ত টুর্নামেন্টের মূল চেতনা ও মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করবে।

বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, তারা সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য যেমন ভালো হবে না, তেমনি পাকিস্তানসহ সারা বিশ্বের কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তের জন্যও তা হতাশার।

আইসিসির আশা, এই সিদ্ধান্তের নেতিবাচকের প্রভাবের বিষয়টি পাকিস্তান বিবেচনা করবে, ‘আইসিসি আশা করে যে পিসিবি তাদের নিজেদের দেশের ক্রিকেটের ওপর এর সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনা করবে। কারণ এটি বৈশ্বিক ক্রিকেট ইকোসিস্টেমকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রাখে, যার সদস্য এবং সুবিধাভোগী পিসিবি নিজেও।’