০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪০

পাকিস্তানি স্পিনারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বিতর্ক

পাকিস্তানি স্পিনারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বিতর্ক  © সংগৃহীত

ক্রিকেটে অস্বাভাবিক বা চোখে পড়ার মতো বোলিং অ্যাকশন নতুন কিছুই নয়। অনেক সময় এমন অ্যাকশন ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করে বিপদে ফেলে। সম্প্রতি তেমনই এক ঘটনায় আলোচনায় এসেছেন পাকিস্তানি স্পিনার উসমান তারিক ও অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) লাহোরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রানের পুঁজি দাঁড় করায় পাকিস্তান। জবাবে ১৫ দশমিক ৪ ওভারে ১০৮ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।

ম্যাচটিতে উসমান তারিক ২ দশমিক ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। তার করা ১১তম ওভারের পঞ্চম বলে বড় শট খেলতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দেন ক্যামেরন গ্রিন। আউট হওয়ার সময় গ্রিনকে স্পষ্টভাবেই তারিকের বোলিং অ্যাকশনে বিভ্রান্ত মনে হয়। মাঠ ছাড়ার পথে তিনি তারিকের অ্যাকশন অনুকরণ করে দেখান এবং ডাগআউটে গিয়েও অজি কোচদের সামনে সেই অ্যাকশন নকল করেন। এতে চাকিংয়ের অভিযোগের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

এর আগেও সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের কারণে দু’বার অভিযুক্ত হয়েছিলেন উসমান তারিক। দু’বারই পাকিস্তান সুপার লিগে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে খেলার সময় আম্পায়ারদের রিপোর্টের ভিত্তিতে তাকে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষায় যেতে হয়। লাহোর ক্রিকেট একাডেমিতে হওয়া সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আবার বোলিংয়ে ফেরেন ২৮ বছর বয়সী এই অফস্পিনার।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বল ছাড়ার সময় কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি বাঁকলে সেটি অবৈধ হিসেবে গণ্য হয়। তবে জন্মগত বা প্রাকৃতিক কনুইয়ের বাঁক এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে।

নিজের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তারিক জানান, তার কনুইয়ের বাঁক প্রাকৃতিক। তিনি বলেছিলেন, 'কনুইয়ের গঠনের কারণেই তার হাতে স্বাভাবিকভাবে বাঁক দেখা যায়, যা পরীক্ষায় বৈধ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।'

সম্প্রতি আইএল টি-টোয়েন্টিতেও তার অ্যাকশন নিয়ে অভিযোগ ওঠে, তবে সেটিও তিনি অজ্ঞতা থেকে আসা মন্তব্য বলে উড়িয়ে দেন।

এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে তিনটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নেমে ৮ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারের ৪১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৬ দশমিক ৭৯ ইকোনমিতে তার উইকেট সংখ্যা ৬৭।