২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০০:৩৫

বিপিএল মাতানো মার্কিন তারকাকে বহিষ্কার আইসিসির

অ্যারন জোন্স  © সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুই ভিন্ন দলের জার্সিতে মাঠে নেমেছেন, খেলেছেন নিজ দেশের মেজর লিগ ক্রিকেটের পাশাপাশি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও (সিপিএল)। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ৫২টি ওয়ানডে ও ৪৮টি টি-টোয়েন্টি খেলে ধীরে ধীরে বিশ্ব ক্রিকেটে পরিচিত নাম হয়ে উঠেছিলেন অ্যারন জোন্স। তবে সেই ক্যারিয়ারই এখন বড় প্রশ্নের মুখে। গুরুতর ফিক্সিং অভিযোগে ৩১ বছর বয়সী এই মার্কিন ব্যাটারকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হলো।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে জোন্সের জন্য অপেক্ষা করছে বড় ধরনের শাস্তি। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাকে সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে। শুধু তাই নয়, দুর্নীতি দমন বিভাগের কোন কোন ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটিও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আইসিসির বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০২৩–২৪ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত ‘বিমটেন’ নামের একটি টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করেই জোন্সের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠে। বিষয়টি তদন্তে নেমে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমন আইনের মোট পাঁচটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা, প্রয়োজনীয় ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সরবরাহে ব্যর্থতা, তদন্ত প্রক্রিয়ায় অসহযোগিতা, দুর্নীতি দমন ইউনিটকে তথ্য না দেওয়া এবং তথ্য গোপন করে তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি করা।

এই মুহূর্তে জোন্সের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকায় তাকে এখনই দোষী সাব্যস্ত করা যাচ্ছে না। তবে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। ফলে আপাতত মাঠের ক্রিকেট থেকে দূরেই থাকতে হচ্ছে তাকে। ফলে, রংপুর রাইডার্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে একসময় বিপিএলে খেলা এই মার্কিন ক্রিকেটারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে।

আইসিসি জানিয়েছে, ২৮ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে নিজের ব্যাখ্যা বা জবাব দেওয়ার সুযোগ পাবেন অ্যারন জোন্স। সেই জবাব এবং তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হবে তার ভবিষ্যৎ।