বিশ্বকাপে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল নিয়ে যা বলছে বিসিবি
ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ। মূলত সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি সামনে আসায় বিশ্বকাপে দল পাঠাচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই ভারতে গিয়ে খেলার অনুমতি দেয়নি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
এদিকে বাংলাদেশ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় দেশের কোনো সাংবাদিককেই সংবাদ সংগ্রহের অনুমতি বা এক্রিডিটেশন দেয়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক ই-মেইলে বিসিবির তালিকাভুক্ত সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয় আইসিসি। মূলত টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকাকেই সংবাদ সংগ্রহের অনুমতি না দেওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন বাতিলের কারণ জানতে চেয়ে আইসিসিকে মেইল করেছে বিসিবি। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সিসিডিএম চ্যালেঞ্জ টি-টোয়েন্টি কাপের উদ্বোধনী দিনে খেলা দেখতে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন। তার দাবি, ‘গতকাল (সোমবার) সিদ্ধান্তটা এসেছে। এরপর আমরা জানতে চেয়েছি, ব্যাখ্যা চেয়েছি। ওটা ভেতরের গোপনীয় বিষয়, কিন্তু আমরা জানতে চেয়েছি।’
অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল প্রসঙ্গে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যে (তার দেশ) অংশ্রগ্রহণ করতেই হবে। (২০১৩) চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি তারপরও আমাদের সাংবাদিকরা সেখানে গিয়েছিলেন কাভার করতে। এছাড়া ফিফা বিশ্বকাপে আমাদের দল কখনো অংশ নেয়নি কিন্তু সাংবাদিকরা নিয়মিত যান কাভার করতে। পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে এটা (কাভার) করতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু এটা তাদের সিদ্ধান্ত, আমাদের আসলেই কিছু করার নেই। তবে আমরা মনে করি আমাদের গণমাধ্যমকর্মীদের সেই সুযোগটা দেওয়া উচিত ছিল। আমরা তৃতীয় সর্বোচ্চ ভিউয়ার, আমরা না খেললেও বিশ্বকাপ তো হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের গণমাধ্যমকর্মীরা সেটা আমাদের দর্শকদের কাছে উপস্থাপন করতে পারতেন।’
যদিও বিশ্বকাপে না খেলা আর অ্যাক্রেডিটেশন একই বিষয় নয় বলেও মনে করছেন আমজাদ। তার ভাষ্যমতে, ‘আমরা বিশ্বকাপে শর্ত দিয়েছি যে নিরাপত্তা ইস্যুতে আমরা একটা নির্দিষ্ট ভেন্যুতে (দেশ) খেলতে পারব না, এমন নয় যে পুরো বিশ্বকাপেই খেলব না। আমাদের বিকল্প অনুরোধ ছিল, এটা পূর্ণ করা হয়নি। এরপর সেখান থেকে আমরা সরে এসেছি। এর সঙ্গে অন্য কিছু মেলানো ঠিক হবে না।’