মুশফিকের বাজে শটে চাপে বাংলাদেশ
আক্রমণে এসেই উইকেটের দেখা পেয়েছেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। তার শর্ট বলে সহজ ক্যাচ তুলে দেন বাংলাদেশের সফলতম টেস্ট ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।
এই স্পিনারকে গায়ের জোরে লেগে খেলেছিলেন। তবে চাহিদা অনুযায়ী ওপরে উঠেনি বল। এতে মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ নেন ব্রায়ান বেনেট। এমন বোনাস উইকেটের পর দারুণভাবে ম্যাচে ফিরলো রোডেশিয়ানরা। আর চাপ বাড়লো স্বাগতিক শিবিরে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৯ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১২৩ রান। ক্রিজে মুমিনুলের নতুন সঙ্গী জাকের আলি।
এর আগে, টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মন্দ করেনি বাংলাদেশ। দেখেশুনে খেলে কোন বিপদ হতে দেননি দুই ওপেনার। নতুন বলে ইনিংসের প্রথম ৬ ওভারে চার স্লিপ রেখেও চাপ তৈরি করতে পারেননি রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি।
তবে ইনিংসের নবম ওভারে বোলিংয়ে পরিবর্তন এনে সাফল্যের দেখা পেয়েছে সফরকারীরা। ভিক্তর নিয়াউচির চতুর্থ বলে পরাস্ত হন সাদমান। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে একটু আগেভাগে স্ট্রেট ড্রাইভ করে ফেলায় টাইমিং হয়নি। তবে গালিতে কোন ভুল করেননি ব্রায়ান বেনেট। ২৩ বলে এক চারে ১২ রানে সাদমানের বিদায়ে ভেঙেছে ৩১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
এক ওভার পর ফের উইকেট হারিয়েছে লাল-সবুজেরা। এবারও সেই নিয়াউচি। তার গুড লেংথের বলটিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মাহমুদুল। ১৪ রানে ফেরেন তিনি।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক শান্ত এবং মুমিনুল। ০ রানে মুমিনুলকে জীবন দেন জিম্বাবুয়ের উইকেটকিপার নিয়াশা মায়াভো। সিলেটে অসম বাউন্সে কিছুটা চালিয়ে খেলেন শান্ত। অন্যপ্রান্তে ধীরস্থির সাবলীল ব্যাটিংয়ে এগিয়েছেন মুমিনুল। সময় নিয়ে ক্রিজে জমে উঠেন তারা। শেষমেশ ২৪ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৮৪ রান তুলে লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় সেশনেও সাবধানী শুরু করেছিলেন শান্ত-মুমিনুল। সেট হয়ে ফিফটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন শান্ত। তবে সেটা আর হলো হয়ে উঠেনি। দলীয় সেঞ্চুরি ও নিজের ফিফটি ছোঁয়ার আগেই তার বিদায়ঘণ্টা বাজে তার। মুজারাবানির শর্ট বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ৪০ রানে ফেরেন টাইগার অধিনায়ক।