পাবনা জেলা বার সমিতি নির্বাচনে মাসুদ সভাপতি, মলয় সম্পাদক নির্বাচিত
পাবনা জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতি নির্বাচনে সভাপতি পদে খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ ও সম্পাদক পদে মলয় কুমার দাস নির্বাচিত হয়েছেন। সমিতির ৪২০ জন সদস্য ভোটারের মধ্যে ৩৮৮ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তিনটি প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩৯ জন প্রার্থী।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
সমিতির প্রবীণ সদস্য বিজ্ঞ আইনজীবী আব্দুর রহিম খান প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে রাতে তিনি ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে খন্দকার মাকুসুদর রহমান মাসুদ ২০২ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলহাজ্ব মির্জা আজিজুর রহমান ১৩১ ভোট পান। অপর প্রার্থী আব্দুল হামিদ পিকে পান ৫২ ভোট।
সম্পাদক পদে মলয় কুমার দাস ১৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ খান (এহিয়া) পান ১২৫ ভোট। আরেক প্রার্থী কাজী মাহবুবুল আলম পান ১২২ ভোট।
সহসভাপতি দুটি পদে শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস রঞ্জু ১৯৮ ভোট ও রেজাউল করিম ছালাম ১৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে সামসুদ্দোহা জামী ১৩৯ ভোট, মতিয়ার রহমান বাহেজ ৯৯ ভোট, মতিয়ার রহমান ৭১ ভোট এবং আলহাজ্ব গোলাম রাব্বানী পান ৫৩ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে মাসুদ আলম ১৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিতটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মঞ্জুর আলম বিশ্বাস পান ১১১ ভোট ও আব্দুল আউয়াল জোয়াদ্দার পান ৭১ ভোট।
যুগ্ম সম্পাদক (উন্নয়ন) পদে আজিজা তামান্না স্বর্ণা ১৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিতটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন সোহেল পান ১৪১ ভোট ও ইমামুল হক ফারুক পান ৭২ ভোট।
যুগ্ম সম্পাদক (লাইব্রেরি) পদে মনরিুজ্জামান মিজান ১৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিতটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম শিপন ১২৯ ভোট ও রেজাউল করিম পান ৭৭ ভোট।
যুগ্ম সম্পাদক (সংস্কৃতি) পদে দীপক কুমার রায় দিপু ১৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিতটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী শাহেদুল আলম শোভন পান ১৩৭ ভোট ও মাহফুজ ইলাহী পান ৬০ ভোট।
অডিটর পদে আজি, উদ্দিন লিটন ১৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিতটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আশরাফুর রহমান সুমন পান ১২৬ ভোট ও খন্দকার শাহ আলম স্বপন পান ৯৩ ভোট।
চারটি সদস্য পদে নির্বাচিতরা হলেন, মুস্তাসিম নবী নিকু (১৮৮ ভোট), শামীমা আফরোজ শিমু (১৭০ ভোট), শিশির কুমার সরকার (১৬৯) ও ওবায়দুর রহমান মিলন (১৬১ ভোট)।
প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে পেয়েছেন আকরাম হোসেন ১৪৩ ভোট, দেলোয়ারা খাতুন পিয়া ১২৩ ভোট, সোহেল রানা ১১৯ ভোট, আব্দুল্লাহ আল মহিউদ্দিন রুপস ১১৫ ভোট, রহিমা খানম ১০৩ ভোট, মঞ্জুর কাদের মুন্না ৬৭ ভোট, আব্দুর রহিম ৫৯ ভোট, মাজেদুল ইসলাম ৫৩ ভোট।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে আলহাজ্ব মির্জা আজিজুর রহমান ও মলয় কুমার দাস রায়ের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী সম্মিলিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ, খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ ও মাহবুবুল আলম কাজী আলমের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ এবং আব্দুল হামিদ ও সুলতান মাহমুদ খান এহিয়ার নেতৃত্বাধীন সর্বদলীয় আইনজীবী ঐক্য পরিষদ নামে তিনটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দীতা করে।
নির্বাচনে খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ ও মাহবুবুল আলম কাজী আলম প্যানেল থেকে সভাপতি, সহসভাপতি একটি, কোষাধ্যক্ষ, যুগ্ম সম্পাদক (উন্নয়ন), যুগ্ম সম্পাদক (লাইব্রেরী) ও সদস্য দু’টি পদ সহ মোট ৬টি পদে বিজয়ী হয়।
আলহাজ্ব মির্জা আজিজুর রহমান ও মলয় কুমার দাস রায় প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি একটি, সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক (সংস্কৃতি), অডিটর ও সদস্য পদে দু’টি সহ মোট ৬টি পদে বিজয়ী হয়।
আব্দুল হামিদ ও সুলতান মাহমুদ খান এহিয়া প্যানেল থেকে কেউ কোনো পদে বিজয়ী হতে পারেননি।