১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫২

যুবদল নেতার ওপর অতর্কিত হামলা

হামলায় আহত যুবদল নেতা মিজানুর রহমান  © সংগৃহীত

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় যুবদলের এক নেতার ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কালাকান্দর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর লোকজন এ জন্য জামায়াতকে দোষারোপ করলেও হামলাকারীরা তাদের কেউ নয় বলে দাবি করেছে দলটি।

আহত যুবদল নেতা মিজানুর রহমান (৩৫) কালাকান্দর গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি খুবজীপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। হামলার পর স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বুধবার রাতে তিনি নিজ এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একই এলাকার শাহরিয়ার হোসেনসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, শাহরিয়ার বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী হিসেবে এলাকায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তিনি আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এখন জামায়াতের কর্মী হয়ে আমাদের ওপর হামলা চালাচ্ছেন।’ বিষয়টি নিয়ে শাহরিয়ারের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতে বাধা-ভয়ভীতি প্রদর্শনে আইনি ব্যবস্থা, নজরদারি চলবে ড্রোনে

হামলার ঘটনায় জামায়াতের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল হাকিম। তিনি বলেন, ‘কালাকান্দর এলাকায় শাহরিয়ার নামে জামায়াতের কোনো কর্মী নেই। আমাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর গুজব ছড়ানো হচ্ছে। জামায়াত এ ধরনের সহিংস রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।’

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’