যশোর-৩ আসনে কেন্দ্র দখলের শঙ্কা জামায়াত প্রার্থীর, সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ
যশোর-৩ (সদর) সংসদীয় আসনে ভোটকেন্দ্র দখলের আশঙ্কা প্রকাশ করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদের অভিযোগ করেছেন, তার নির্বাচনী এলাকায় প্রতিপক্ষের একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি, হেনস্তা ও নাশকতার মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
ভিপি আব্দুল কাদের বলেন, সামগ্রিকভাবে ভোটের পরিবেশ মোটামুটি ভালো থাকলেও বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তা করা হচ্ছে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, কারাগারে থাকা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের জামিনে বের করে এনে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। নির্ধারিত পোলিং এজেন্টদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয়া হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট প্রতীক ছাড়া অন্য প্রতীকে ভোট দিতে বাধা দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের আগের রাত থেকেই কয়েকটি কেন্দ্রে নাশকতার পরিকল্পনা, বলপ্রয়োগে কেন্দ্র দখল, অস্ত্র ও পেশিশক্তির মহড়া দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি এবং ফলাফল প্রতিপক্ষের পক্ষে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। তার সমর্থক ও সাধারণ ভোটার, বিশেষ করে নারী ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। যেসব এলাকায় নারী কর্মীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়, সেগুলো হলো পৌরসভার ৫, ৬, ৭ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং উপজেলার নওয়াপাড়া, হৈবতপুর, দেয়াড়া, রামনগর, আরবপুর ও ইছালী ইউনিয়ন।
এ ছাড়া পৌরসভার ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং নওয়াপাড়া, হৈবতপুর, কাশিমপুর, ইছালী, লেবুতলা ও কচুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামির জেলা দপ্তর সম্পাদক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নূর ই আলী নূর মামুন, ভারপ্রাপ্ত শহর আমির মাও. ইসমাইল হোসেন, জামায়াত নেতা আবুল হাশিম রেজা, এনসিপির জেলা প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, খেলাফত মজলিসের জেলা আমির মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সম্পাদক রফিক শোয়াইব, এলডিপির সাধারণ সম্পাদক রিপন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম প্রমুখ।