২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:২৯

রেল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

পটিয়া রেলওয়ে স্টেশন  © সংগৃহীত

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ডেপুটি চীফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট তারেক মুহাম্মদ ইমরানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। স্টেশনে দোকান বরাদ্দ দিতে গিয়ে তিনি এক আবেদনকারীর আবেদনপত্র ‘গায়েব করে নিজের নিকটাত্মীয়কে’ কৌশলে সে দোকান বরাদ্দ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী।

এ ঘটনায় গত বছরের ৮ ডিসেম্বর রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ আমির খসরু।

অভিযোগপত্রে তারেক মুহাম্মদ ইমরানের বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ভুক্তভোগী। সে অভিযোগের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও দুর্নীতি দমন কমিশনেও (দুদক) পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়।

অভিযোগের বিবরণে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি মুহাম্মদ আমির খসরু পটিয়া স্টেশনে পূর্বে বাতিলকৃত গুমটি দোকানের পরিবর্তে নতুনভাবে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন। তার ওই আবেদনে সুপারিশ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। কিন্তু অদ্যবধি কোন অজানা কারণে তার আবেদনটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তিনি জানতে পেরেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তারেক মুহাম্মদ ইমরান ইচ্ছাকৃতভাবে তার ফাইলটি দীর্ঘ ছয় মাস ধরে গায়েব করে রাখেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ১৫ অক্টোবর চট্টগ্রামের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তৌষিয়া আহমেদের স্বাক্ষরে ৫টি দোকান বরাদ্দের জন্য একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। ওই আদেশে তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয় কুমিল্লার আরিফুল ইসলাম, চাঁদপুরের আবু বক্কর ছিদ্দিক, রসুলপুরের আয়েশা আক্তার, চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহরের সেলিমুল হক চৌধুরী এবং পটিয়ার মানছুমা বেগমের নামে।

অভিযোগপত্রে আমির খসরু জানান, তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সিওপিএস তারেক মুহাম্মদ ইমরানের নিকটাত্মীয় মাছুমা বেগম নামে এক নারীর আবেদন গ্রহণ করেন।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ডেপুটি চীফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট তারেক মুহাম্মদ ইমরানকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তার কোন সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে জানতে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাপরিচালক মুহাম্মদ সুবক্তগীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।