অনিশ্চয়তা দূর, এক তারিখেই বই উৎসব

১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:০০ AM
নতুন বই হাতে শিশুরা

নতুন বই হাতে শিশুরা © ফাইল ছিল

দীর্ঘদিন ধরেই নতুন বছরের প্রথম দিন বই উৎসব উদযাপন হয়ে আসছে। আসছে ১ জানুয়ারি টানা দশমবারের মতো এই উৎসব হওয়ার কথা। যদিও উৎসবের তারিখ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দু’দিন পর হওয়ায় এটি উদযাপন সঠিক সময়ে হবে কিনা- তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতির মধ্য দিয়ে সেই সংশয় দূর হয়েছে। অর্থাৎ ২০১৯ সালের প্রথমদিন ১জানুয়ারিই হচ্ছে বইয়ের উৎসব।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বই উৎসবের উদ্বোধন করবেন। আর ১ জানুয়ারি উৎসব পালন করা হবে। উৎসবে শিক্ষামন্ত্রী অংশ নিতে না পারলেও শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন চালিয়ে নেবেন।

তথ্যমতে, প্রতিবছর কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার আজিমপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে বই উৎসব পালন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বই উৎসব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পৃথকভাবে ওই উৎসবের আয়োজন করে। যদিও কয়েকদিন আগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানিয়েছিলেন, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের কারণে পহেলা জানুয়ারিতে পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালন করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের পরেরদিন দেশের সব বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এ সময় সবাই নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। তাই পহেলা জানুয়ারিতে জাতীয় পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালন করা কঠিন হতে পারে। তবে মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় সেই সন্দেহ দূর হলো।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১ জানুয়ারি বই উৎসব উদ্বোধন করতে প্রস্তাব দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীকে। প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী উৎসবটি ২৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা জানান। তবে বই বিতরণ ও উৎসব ১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খান বলেন, ‘আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী বই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। আর ১ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ অথবা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বই উৎসবের উদ্বোধন করবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (মাধ্যমিক) সালমা জাহান বলেন, ‘২০১৯ শিক্ষাবর্ষের ৮০ শতাংশ বই ছাপা শেষ হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই বাকি বই ছাপা শেষ হবে। বিনামূল্যের এসব বই বিতরণে কোনও সমস্যা হবে না।’

খোঁজে জানা যায়, ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশের ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রাাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত মোট বইয়ের সংখ্যা ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি। ইতোমধ্যে সারাদেশে ৯৫ শতাংশ বই পৌঁছে গেছে। এর আগে ২০১৮ সালে চার কোটি ৪২ লাখ চার হাজার ১৯৭ জন শিক্ষার্থীর হাতে ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ১৬২টি বই তুলে দেয়া হয়েছিল। 

তথ্যমতে, গত আট বছরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২২৫ কোটি ৪৫ লাখ ১১ হাজার ৭৫০টি বই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে সরকার। অর্থাৎ গত ৯ বছরে ২৬০ কোটি ৮৫ লাখ ৯১ হাজার ২৯০ কপি বই দেওয়া হয় শিক্ষার্থী, যা বিশ্বেও এক বিরল দৃষ্টান্ত, অনন্য নজির।

প্রিয় সোনামনি রামিসা, তোমার কাছে মানবতা লজ্জিত: জামায়াত আমির
  • ২০ মে ২০২৬
নদীতে ডুবে প্রাণ গেল শিশুর
  • ২০ মে ২০২৬
২২ বছরের অপেক্ষার পর শিরোপা জিতল আর্সেনাল
  • ২০ মে ২০২৬
রাজধানীতে মাদ্রাসা ছাত্র অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, শিক্ষক গ্…
  • ২০ মে ২০২৬
ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা ব…
  • ২০ মে ২০২৬
আলোচিত একরাম হত্যাকাণ্ডের এক যুগ, রায় হলেও শেষ হয়নি অপেক্ষা
  • ২০ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081