কৃষকের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করছে এনএটিপি প্রকল্প
নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তির উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ, পণ্য সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থা উন্নয়নে অবদান রাখছে এনএটিপি- ফেইজ ২ (ন্যশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ সিস্টেম) প্রকল্প। এতে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র, প্রান্তিক এবং মহিলা কৃষকের কৃষি উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধি সর্বোপরি কৃষকের সামগ্রিক আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মিলনায়তনে ‘এনএটিপি-২ প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা আঞ্চলিক কর্মশালা ২০১৮-২০১৯’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং এনএটিপি-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সনৎ কুমার সাহা।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার কৃষি সেক্টরের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ১৫ বছর মেয়াদী এনএটিপি নামক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তারই অংশ হলো এই এনএটিপি প্রকল্প ফেইজ-২। প্রকল্পটি ২০১৬ সাল থেকে শুরু হয়েছে যা চলবে ২০২১ সাল পর্যন্ত। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন পাবলিক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকগণ এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ইউনিটের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এই প্রকল্পে কাজ করে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৫১ টি উপজেলার প্রকল্পের অগ্রগতি ও অর্জন নিয়ে আলোচনা করার লক্ষ্যে কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়। কৃষি মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সম্পাদক এবং এনএটিপি-২ প্রকল্পের সহকরী প্রকল্প পরিচালক মো. মনজুর হাসান ভূঞার সভাপতিত্বে এবং বিনার উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহবুবা খাতুনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিনার মহাপরিচালক ড. হোসনে আরা বেগম।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, ময়মনসিংহ অঞ্চলের মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিম, ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আফতাব হোসেন। এছাড়াও কর্মশালায় এনএটিপি-২ প্রকল্পের সকল ইউনিটের পরিচালকগণ, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীগণ, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ইউনিটের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।