২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৩৪

পানিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি করবে গুণগত মাছের উৎপাদন

  © টিডিসি ফটো

মাছ চাষ এবং উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম। মাছ উৎপাদনে এত ভাল অবস্থানে খাকলেও গুণগত মান ও স্বীকৃতির অভাবে মাছ রপ্তানিতে অনেক পিছিয়ে আমরা। এর কারণ মাছের অল্প সময়ে অধিক বৃদ্ধির জন্য চাষের সময় খামারীরা ব্যবহার করছে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক এবং ঔষধ। যার ফলে দেশে উৎপাদিত হচ্ছে মানব স্বাস্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অগুণগত মাছ। তবে এসব অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করে পকুরের পানিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ এবং এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে কাঙ্খিত ও গুণগত মাছ উৎপাদন সম্ভব। ‘নতুন মাছের চাষ পদ্ধতি ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে ওই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণের সাথে মাছের উৎপাদন নিয়ে গবেষণা করেছি। গবেষণায় দেখা গেছে মাছের উৎপাদন পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের উপর নির্ভর করে। অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেলে মাছের দৈহিক বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাধাগ্রস্থ হয়। কিন্তু খামারীরা না বুঝেই পানিতে ব্যবহার করছে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য। এসব রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের ফলে মাছে সৃষ্টি হয় দুগর্ন্ধ। এজন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহের জন্য পানিতে ফোয়ারা বা এরেটর ব্যবহার করে মাছ চাষে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব।

কর্মশালায় বক্তব্য দিচ্ছেন অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল

অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গিয়াসউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে তারাকান্দা জামালপুর ও মুক্তাগাছা উপজেলা থেকে ৩০ জন পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া খামারী ও হ্যাচারি মালিক উপস্থিত ছিলেন।